০২:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

গ্রামীন জনগন মশার উপদ্রবে বহু ক্ষতিগ্রস্থ

  • প্রকাশের সময় : ০৬:২৪:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 76

 

শেখ আব্দুল কাদির কাজল সিলেট 

সিলেট বিভাগের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল পরিদর্শন করে জানা যায়, গ্রামীন জনগন মশার উপদ্রবে বহু ক্ষতিগ্রস্থ, শারীরিক, মানসিক,আর্থিক ভাবে ও এক্ষতির দ্বায় নিবে কি সরকার এবং প্রশাসন? “অধিকাংশ মানুষের নুন আনতে পান্থা ফুরায়” এর পর রাত্রী যাপনে মশার উপদ্রবে নারী শিশুর ক্ষতি; নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক ব্যক্তি বলেন, পাকিস্তান আমাদের শত্রু ছিলো কিন্তু মশা দিয়ে নাগরিক জীবনের ঘুম কেড়ে নেয়নি, চোর- ও ডাকাতের প্রভাব ছিলোনা, মানুষ আইনের ভয়ে দূর্নীতি করার সাহস পায়নি, আমরা গরু, এবং মূল্যবান কৃষি উপকরন সামগ্রী বাহিরে ফেলে রেখেছি, চুরি হয়নি, এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- মশা নিধনে সরকারী ভাবে ডিডি পাউডার পানিতে মিশিয়ে মেশিন দিয়ে স্প্রে করা হতো প্রতি বাড়ী- ঘরে, নালা নর্দমায়-, কচুরী পানায়ও, ফলে ঐ সময় মশারী কয়েল ছাড়াই গ্রামের মানুষজন ঘুমাতে পারতো, তখনকার সময়ে ম্যালেরিয়ার আতঙ্ক ছিলো, ম্যালেরিয়ায় জনগণ যাহাতে আক্রান্ত না হয়, সরকার এ ব্যবস্থা চালু রাখছিলো, এ ব্যবস্থা কখন বন্ধ হয় বলিলে তিনি জানান, হোসেইন মোহাম্মদ এরশাদ ক্ষমতায় আসার পর এ ব্যবস্থাটি বন্ধ রাখা হয়, বিগত ত্রিশ বছরেও এ পদ্ধতিটি জনস্বার্থে আর চালু হয়নি। বর্তমানে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত বলা হয়ে থাকলেও ডেঙ্গু থেকে বাঁচানোর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি, মশারী বা মশার কয়েল জ্বালিয়েই এ উপদ্রব থেকে বাঁচার ব্যবস্থা, অপরদিকে কয়েলের ধূয়া শিশু স্বাস্থ্যের জন্য বিরাট ক্ষতিকর। অনেকে মশা নিধন প্রক্রিয়া পূর্বের ন্যায় চালু করতেও সরকারের নিকট দাবী জানানো হয়।

জনপ্রিয়

ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনা দেয়ার পাশাপাশি নগদ অর্থ শুকনো খাবার ও কম্বল দেয়া হয়েছে

গ্রামীন জনগন মশার উপদ্রবে বহু ক্ষতিগ্রস্থ

প্রকাশের সময় : ০৬:২৪:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

শেখ আব্দুল কাদির কাজল সিলেট 

সিলেট বিভাগের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল পরিদর্শন করে জানা যায়, গ্রামীন জনগন মশার উপদ্রবে বহু ক্ষতিগ্রস্থ, শারীরিক, মানসিক,আর্থিক ভাবে ও এক্ষতির দ্বায় নিবে কি সরকার এবং প্রশাসন? “অধিকাংশ মানুষের নুন আনতে পান্থা ফুরায়” এর পর রাত্রী যাপনে মশার উপদ্রবে নারী শিশুর ক্ষতি; নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক ব্যক্তি বলেন, পাকিস্তান আমাদের শত্রু ছিলো কিন্তু মশা দিয়ে নাগরিক জীবনের ঘুম কেড়ে নেয়নি, চোর- ও ডাকাতের প্রভাব ছিলোনা, মানুষ আইনের ভয়ে দূর্নীতি করার সাহস পায়নি, আমরা গরু, এবং মূল্যবান কৃষি উপকরন সামগ্রী বাহিরে ফেলে রেখেছি, চুরি হয়নি, এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- মশা নিধনে সরকারী ভাবে ডিডি পাউডার পানিতে মিশিয়ে মেশিন দিয়ে স্প্রে করা হতো প্রতি বাড়ী- ঘরে, নালা নর্দমায়-, কচুরী পানায়ও, ফলে ঐ সময় মশারী কয়েল ছাড়াই গ্রামের মানুষজন ঘুমাতে পারতো, তখনকার সময়ে ম্যালেরিয়ার আতঙ্ক ছিলো, ম্যালেরিয়ায় জনগণ যাহাতে আক্রান্ত না হয়, সরকার এ ব্যবস্থা চালু রাখছিলো, এ ব্যবস্থা কখন বন্ধ হয় বলিলে তিনি জানান, হোসেইন মোহাম্মদ এরশাদ ক্ষমতায় আসার পর এ ব্যবস্থাটি বন্ধ রাখা হয়, বিগত ত্রিশ বছরেও এ পদ্ধতিটি জনস্বার্থে আর চালু হয়নি। বর্তমানে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত বলা হয়ে থাকলেও ডেঙ্গু থেকে বাঁচানোর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি, মশারী বা মশার কয়েল জ্বালিয়েই এ উপদ্রব থেকে বাঁচার ব্যবস্থা, অপরদিকে কয়েলের ধূয়া শিশু স্বাস্থ্যের জন্য বিরাট ক্ষতিকর। অনেকে মশা নিধন প্রক্রিয়া পূর্বের ন্যায় চালু করতেও সরকারের নিকট দাবী জানানো হয়।