
স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ সেলিম রানা
মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির নেতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব আমানউল্লাহর বিরুদ্ধে ধর্ষণ, গোপনে ভিডিও ধারণ, ব্ল্যাকমেইল এবং অপপ্রচারের অভিযোগে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে। ভুক্তভোগী রাহা মাহমুদা পলির অভিযোগ—অমানউল্লাহ প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে তাকে ধর্ষণ করেন এবং ভিডিও ধারণ করে দীর্ঘদিন হুমকি-ধমকি ও মানসিক নির্যাতন করেন।
পলি আদালতে মামলা করার পর আমানউল্লাহ ও তার ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে দেহ ব্যবসা, মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজির মিথ্যা অপপ্রচারের অভিযোগও করেন। পলির দাবি—এসবই তাকে ভয় দেখিয়ে মামলা প্রত্যাহারের উদ্দেশ্যে করা হয়।
মুখ বন্ধ করতে রাজনৈতিক পদ স্থগিতের অভিযোগ
পলি আরও জানান—মামলা করার পর তার রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তাকে চাপে ফেলতে মানিকগঞ্জ জেলা মহিলা দলের প্রচার সম্পাদক এবং সাটুরিয়া উপজেলা মহিলা দলের সভাপতির পদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।
এছাড়া পলির পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত—তার বাবা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, বড় ভাবি সাটুরিয়া থানার মহিলা দলের জয়েন্ট সেক্রেটারি এবং ছোট ভাবি মহিলা দলের দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ
পলি ও তার মা সাটুরিয়া থানায় মানহানির অভিযোগ করলেও ওসি কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন তারা। তাদের দাবি—ক্ষমতাধরদের প্রভাব ও টাকার কাছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নীরব রয়েছে।
পলি বলেন—“এক বিন্দু রক্ত থাকা পর্যন্ত অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ করবো না।”
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি উঠেছে











