
মেহেদী হাসান রাসেল লক্ষ্মীপুর
শীতের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে যেসব রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, তার মধ্যে স্কাবিস বা খোসপাঁচড়া অন্যতম। বিশেষত গ্রামীণ ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় রোগটি তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। এ বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের সাবেক আর এম ও, সিনিয়র মেডিকেল অফিসার এবং আশুরা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড মেডিকেল সার্ভিসেস (প্রাঃ)-এর চিকিৎসক ডা. মো. জাকির হোসেন বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছেন।
আমাদের প্রতিনিধি মেহেদী হাসান রাসেল-এর সঙ্গে আলাপচারিতায় ডা. জাকির হোসেন বলেন, “শীতের মৌসুমে খোসপাঁচড়া তুলনামূলকভাবে বেশি বিস্তৃত হয়। আবহাওয়া শুষ্ক থাকায় ও মানুষের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বৃদ্ধি পাওয়ায় স্কাবিস দ্রুত একজন থেকে আরেকজনে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ এবং নিম্ন আয়ের পরিবারের সদস্যরা বেশি ঝুঁকিতে থাকে।”
তিনি জানান, স্কাবিস মূলত একটি চুলকানিজনিত ত্বকের সংক্রমণ যা সারকপটিস স্ক্যাবিই নামে একধরনের ক্ষুদ্র পরজীবী মাইটের কারণে হয়। এর প্রধান উপসর্গ হলো তীব্র চুলকানি, বিশেষ করে রাতে। হাতের আঙুলের ফাঁক, বগল, কোমর, কবজি ও যৌনাঙ্গে লাল দাগ ও ফুসকুড়ি দেখা যায়।
ডা. জাকির হোসেন বলেন, “এ রোগে আক্রান্ত হলে পুরো পরিবারকে একসঙ্গে চিকিৎসা নিতে হবে। শুধু আক্রান্ত ব্যক্তিকে চিকিৎসা দিলে রোগ সম্পূর্ণ নির্মূল না হয়ে আবারও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
তিনি আরো বলেন
আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত কাপড়, বিছানার চাদর, বালিশের ওড়না ইত্যাদি গরম পানিতে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে।
পরিবারের সবাইকে ব্যক্তিগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে।
আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে সরাসরি ত্বক-স্পর্শ কমাতে হবে











